September 27, 2022

চোখের ধাঁধায় লুকিয়ে উত্তর! বলতে পারলেই বোঝা যাবে বুদ্ধির দৌড়! কোন রঙ দেখছেন?

একটি অপটিক্যাল ইলিউশন দেখে নেওয়া যাক। যেখানে কেউ প্রথম যে রঙটি দেখছে তার উপরে নির্ভর করবে ব্যক্তির বুদ্ধি ঠিক কতটা।

Thank you for reading this p

ost, don't forget to subscribe!

 

 

 

#কলকাতা: অপটিক্যাল ইলিউশন ভারি মজার জিনিস। যে কোনও ছবি বা বস্তু এখানে এমন ভাবে চোখের সামনে তুলে ধরা হয় যে এক নজরে দেখলে চোখে ধাঁধা লেগে যায়। তবে কেউ যদি সেই ধাঁধা ভেদ করে আসল জিনিস বুঝে ফেলে তাহলেই কেল্লা ফতে। এক লহমায় বোঝা যাবে বুদ্ধির জোর কতটা। অপটিক্যাল ইলিউশন নানা রকমের হয়।

 

বলা হয় যে অপটিক্যাল ইলিউশন দিয়ে কারও মনের বিশ্লেষণ করা অনেক সোজা হয়। কারণ একটি অপটিক্যাল ইলিউশন কেউ যেভাবে বিশ্লেষণ করেন তার উপরে সেই ব্যক্তির আইকিউ কতটা সেটা নির্ভর করে। এবার একটি অপটিক্যাল ইলিউশন দেখে নেওয়া যাক। যেখানে কেউ প্রথম যে রঙটি দেখছে তার উপরে নির্ভর করবে ব্যক্তির বুদ্ধি ঠিক কতটা।

প্রথমে এই চক্রাকার ছবিটা ভালো করে দেখতে হবে। যদি কেউ নীল রঙ প্রথমে দেখে তাহলে বুঝতে হবে সে হচ্ছে জিনিয়াস অফ পারসেপশন। অর্থাৎ জীবন বিষয়ে সেই ব্যক্তির স্বচ্ছ ধারণা আছে এবং যে কোনও জটিল সিদ্ধান্ত নেওয়া এই ব্যক্তির কাছে কোনও ব্যাপার নয়।

যদি কেউ লাল রঙ প্রথমে দেখে তাহলে অবশ্য অন্য ব্যাপার। কারণ লাল রঙ যে প্রথমে দেখে সে একজন যুক্তিবান মানুষ। অর্থাৎ তার বুদ্ধি অন্যান্যদের চেয়ে এক ধাপ বেশি এবং সেই ব্যক্তি যে কোনও বিষয় সহজে অনুমান করতে পারে। আর সেই কারণেই ছোট-বড় সমস্যা সমাধান তার কাছে খুব সহজ।

বিষয়টা বুঝতে হলে এই চক্রের একদম মাঝখানে বেশ খানিকটা সময় ধরে তাকিয়ে থাকতে হবে। খানিক সময় তাকিয়ে থাকলেই রঙ বোঝা যাবে। এই জাতীয় অপটিক্যাল ইলিউশন বেশ মজার একটা খেলা। কিন্তু এই মজার মাধ্যমেই বুদ্ধির দৌড় বুঝে নেওয়া যায়।

সাধারণত যারা নীল রঙ দেখতে পায় তাদের যে কোনও বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা থাকে। এরা কর্মক্ষেত্রে সবার আগে থাকে। কারণ বাকিরা এদের উপর ভরসা করে। এদের মস্তিষ্কের তরঙ্গ ১০০ থেকে ১২০ এইচজেড-এর মধ্যে থাকে।

আবার যারা লাল রঙ দেখে তারাও কম বুদ্ধিমান নয়। এরা চট করে অন্যদের প্রভাবিত করে ফেলে।

x

x